
নিজস্ব প্রতিবেদক:মানুষের উপকার করতে না পারলেও অন্তত কারও ক্ষতি না করার আহ্বান জানিয়েছেন মো: জাহিদ হাসান। তিনি বলেন, মানুষের জীবনে সুসময় ও দুঃসময় দুটোই আসে। সুসময়ে অনেকেই পাশে থাকার কথা বলেন, কিন্তু প্রকৃত পরিচয় পাওয়া যায় কঠিন সময়ে।
মো: জাহিদ হাসান বলেন, “মানুষের উপকার করতে পারবেন না, তাতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু একজন অসহায় মানুষের বিপদের সময় তাকে অবহেলা করবেন না। জীবনে অনেক মানুষ দেখেছি—দান-খয়রাতের কথা বলার মানুষের অভাব নেই, কিন্তু বাস্তবে প্রয়োজনের সময়ে পাশে দাঁড়ানোর মানুষ খুব কম।”
তিনি আরও বলেন, শুধু দানশীলতার কথা বলা বা মানুষের সামনে নিজেকে মানবিক হিসেবে তুলে ধরাই যথেষ্ট নয়। একজন মানুষের প্রকৃত মানবিকতা প্রকাশ পায় তার আচরণে, সহযোগিতায় এবং বিপদের সময় অন্যের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে।
তিনি বলেন, “মানুষকে সাহায্য করার সামর্থ্য না থাকলে অন্তত ভালো কথা বলুন, সাহস দিন, একটি দোয়া করুন। অনেক সময় অর্থের চেয়েও একজন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, তার কথা মন দিয়ে শোনা এবং তাকে মানসিকভাবে সাহস দেওয়া বড় সহযোগিতা হয়ে ওঠে।”
মো: জাহিদ হাসান মনে করেন, সমাজে পারস্পরিক সহযোগিতা ও মানবিক মূল্যবোধ আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। ধনী-গরিব, পরিচিত-অপরিচিত—সব মানুষের প্রতি সহমর্মী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মানুষের জন্য কিছু করার সুযোগ পেলে তা আন্তরিকতার সঙ্গে করা উচিত।
তিনি আরও বলেন, “দানশীলতার পরিচয় শুধু কথায় নয়, কাজে দিতে হয়। মানুষের দুঃসময়ে যে ব্যক্তি কোনো স্বার্থ ছাড়া পাশে দাঁড়ায়, সেই প্রকৃত অর্থে মানবিক মানুষ।”
সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মো: জাহিদ হাসান বলেন, অসহায় ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো প্রত্যেকের নৈতিক দায়িত্ব। সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলে সমাজে মানবিকতা, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক ভালোবাসা আরও বৃদ্ধি পাবে।
— মো: জাহিদ হাসানমানবিক ও সামাজিক কর্মী