
নিজস্ব প্রতিবেদক:
একটি সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত মানুষের কল্যাণ, অধিকার প্রতিষ্ঠা, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং বিপদে-আপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানো। নেতারা যখন ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করেন, তখন সেই সংগঠনের প্রতি মানুষের আস্থা, ভালোবাসা ও সমর্থন স্বাভাবিকভাবেই বৃদ্ধি পায় বলে মন্তব্য করেছেন গণমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মী মো: জাহিদ হাসান।
তিনি বলেন, “নেতারা সংগঠন করেন মানুষের জন্য। সেই সংগঠন যদি মানুষের অধিকার ও কল্যাণে কাজ করে, তাহলে মানুষও ভালোবাসা দিয়ে সংগঠনের পাশে থাকবে। মানুষের দুঃখ-কষ্টে পাশে দাঁড়ানো, শ্রমজীবী ও অসহায় মানুষের অধিকার নিয়ে কথা বলা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়াই একজন প্রকৃত নেতার দায়িত্ব।”
মো: জাহিদ হাসান আরও বলেন, শুধু পদ-পদবি বা কমিটি গঠন করলেই একজন নেতা মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠেন না। মানুষের পাশে থেকে তাদের সমস্যা বোঝা, সমাধানের জন্য কার্যকর ভূমিকা রাখা এবং সংগঠনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের মাধ্যমেই নেতৃত্বের প্রকৃত মূল্যায়ন হয়।
তিনি বলেন, একটি শক্তিশালী সংগঠন গড়ে ওঠে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের পারস্পরিক আস্থা, ঐক্য ও সহযোগিতার মাধ্যমে। সংগঠনের নেতৃত্ব যদি স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও মানবিকতার সঙ্গে কাজ করে, তাহলে মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থন দীর্ঘস্থায়ী হয়।
তিনি আরও বলেন, “মানুষকে বাদ দিয়ে কোনো সংগঠন শক্তিশালী হতে পারে না। মানুষের অধিকার ও কল্যাণকে সামনে রেখে সংগঠন পরিচালনা করলে সেই সংগঠনই একসময় মানুষের আস্থার ঠিকানায় পরিণত হবে।”
মো: জাহিদ হাসান সকল সামাজিক, শ্রমিক ও মানবাধিকারভিত্তিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে দল-মত ও ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সাধারণ মানুষের কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
মো: জাহিদ হাসান
গণমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মী