September 16, 2026, 9:11 pm
শিরোনামঃ :
ফটিক মার্কেটে শ্রমিক নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় চুয়াডাঙ্গায় ৪৫ সার ডিলারশিপের বিপরীতে ৬৪৩ আবেদন বরিয়াবরী আস্তানায় আজ সাপ্তাহিক জিকির-ওয়াজ ও আধ্যাত্মিক মাহফিল ফেডারেশনের নেতাদের দলীয়করণ থেকে বেরিয়ে শ্রমিকস্বার্থে কাজ করার আহ্বান মো: জাহিদ হাসান: শ্রমিক সংগঠনকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রেখে ঐক্যবদ্ধভাবে অধিকার আদায়ে কাজ করতে হবে কালিয়াকৈরে ব্যবসায়ীর মৃত্যুর ঘটনায় আসামি গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপিবিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বড়ধুল ইউনিয়নে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, শান্ত সরকারের নেতৃত্বে বিশাল মিছিল অনুষ্ঠিত – কালিয়াকৈরে জয় বাংলা স্রোগান দিয়ে ঝটিকা মিছিল জনপ্রিয়তার শীর্ষে বেলকুচি ধুকুরিয়াবেড়া ইউনিয়নে বিএনপিদলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ইলিয়াস হোসেন, জনগণের কথা চিন্তা করে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে হবে: মো. জাহিদ হাসান মিঠাপুকুরে এলজিইডি ১ হাজার মিটার রাস্তার কার্পেটিং সঠিক কাজে রেকর্ড করলেন খাইরুল কবির রানা। আব্দুল হালিম, ব্যুরো প্রধান, রংপুর:

স্ট্রোকের পর আপনজনহীন অবস্থায় চিকিৎসার কাগজপত্র সংগ্রহে হিমশিম খাচ্ছেন জাহিদ হাসান

মো: জাহিদ হাসান, গণমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মী।
  • Update Time : Sunday, August 23, 2026,
  • 104 Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক: স্ট্রোকের পর শারীরিক অসুস্থতার সঙ্গে প্রতিনিয়ত লড়াই করছেন গণমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মী মো: জাহিদ হাসান। অসুস্থ শরীর নিয়েও চিকিৎসা, ওষুধ, মেডিকেল রিপোর্ট, প্রেসক্রিপশন ও প্রয়োজনীয় সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে তাকে একাই বিভিন্ন হাসপাতাল ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ছুটতে হচ্ছে। পাশে থাকার মতো আপনজন না থাকায় তার এই সংগ্রামের পথ আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।
জাহিদ হাসান জানান, স্ট্রোকের পর তার শারীরিক সক্ষমতা আগের মতো নেই। নিয়মিত চিকিৎসা, ওষুধ, ফিজিওথেরাপি ও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরিচর্যার মধ্য দিয়ে তাকে চলতে হচ্ছে। এর পাশাপাশি চিকিৎসা-সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্র ও শারীরিক অক্ষমতার প্রয়োজনীয় প্রত্যয়ন সংগ্রহের জন্যও তাকে নিজেকেই বিভিন্ন জায়গায় যেতে হচ্ছে।
তিনি বলেন, “আমি স্ট্রোক করেছি। আমার চিকিৎসা ও ওষুধের কাগজপত্র এবং প্রয়োজনীয় সার্টিফিকেট নিতে আমাকে বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয়। আপনজন বলতে পাশে থাকার মতো কেউ নেই। অসুস্থ শরীরে একা একা এসব কাজ করা আমার জন্য অত্যন্ত কষ্টকর।”
নিউরোলজিস্টের প্রত্যয়ন ও চিকিৎসকের স্বাক্ষর
জাহিদ হাসানের ভাষ্য অনুযায়ী, চিকিৎসা-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং শারীরিক অক্ষমতার বিষয়টি নথিভুক্ত করার ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের প্রত্যয়ন প্রয়োজন হচ্ছে। এ বিষয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় মেডিকেল মূল্যায়ন ও প্রত্যয়ন গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
চিকিৎসা-সংক্রান্ত নথিতে উল্লেখিত তথ্য অনুযায়ী, ডা. ওয়াসিম আহমেদ, MBBS (SSMC), FCPS (Medicine), Assistant Professor, Department of Medicine, Uttara Adhunik Medical College Hospital—এর চিকিৎসা-সংক্রান্ত প্রত্যয়ন ও স্বাক্ষরের বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। চিকিৎসকের রেজিস্ট্রেশন নম্বর A-46913।
জাহিদ হাসান বলেন, চিকিৎসা ও সরকারি সহায়তার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করতে গিয়ে একজন অসুস্থ ব্যক্তিকে একাধিক ধাপে হাসপাতাল, চিকিৎসকের চেম্বার ও সরকারি দপ্তরে যেতে হয়। স্ট্রোকের কারণে চলাফেরায় সমস্যা থাকা রোগীর জন্য এ ধরনের প্রক্রিয়া অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে উঠতে পারে।
সরকারি সহায়তা পেতে কাগজপত্র সংগ্রহেও ভোগান্তি
তিনি আরও বলেন, অসুস্থ মানুষের চিকিৎসার পাশাপাশি সরকারি সহায়তা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি কিংবা অন্যান্য মানবিক সহযোগিতা পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু শারীরিকভাবে অক্ষম একজন ব্যক্তির পক্ষে একা এসব কাগজপত্র সংগ্রহ করা অনেক সময় বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।
জাহিদ হাসান সমাজের বিত্তবান, মানবিক ব্যক্তি, সামাজিক সংগঠন এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের প্রতি তার চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহের ক্ষেত্রে মানবিক সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, “মানুষের জীবনে কঠিন সময় আসতেই পারে। আমি চাই, আমার মতো অসুস্থ মানুষ যেন চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে একা হয়ে না যায়। একজন অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো মানবিক দায়িত্ব।”
মানবিক সহযোগিতার প্রত্যাশা
স্ট্রোকের পর রোগীর নিয়মিত চিকিৎসা, ওষুধ, ফিজিওথেরাপি, পুনর্বাসন এবং প্রয়োজনীয় মেডিকেল ফলোআপের পাশাপাশি মানসিক ও সামাজিক সহযোগিতাও গুরুত্বপূর্ণ। পরিবার-পরিজন বা আপনজনের সহায়তা না থাকলে চিকিৎসা-সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করা একজন অসুস্থ মানুষের জন্য আরও কঠিন হয়ে পড়ে।
এ অবস্থায় জাহিদ হাসান তার চিকিৎসা অব্যাহত রাখা এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা-সংক্রান্ত কাগজপত্র সংগ্রহের ক্ষেত্রে মানবিক সহযোগিতা কামনা করেছেন। তার প্রত্যাশা, সমাজের দায়িত্বশীল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো অসুস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের পথকে সহজ করতে এগিয়ে আসবে।

See also  গোবিন্দগঞ্জে ৫৪ লাখ টাকা ব্যয়ে সড়ক সংস্কার, বছর না যেতেই ধস।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category